আচমকাই যায় যায় অবস্থা শ্যুটিং শেষে হার্ট অ্যাটাক হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডখ্যাত শ্রেয়স তলপড়ে

15th December 2023 7:06 pm Country News
আচমকাই যায় যায় অবস্থা শ্যুটিং শেষে হার্ট অ্যাটাক হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডখ্যাত শ্রেয়স তলপড়ে


হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা শ্রেয়াস তালপাড়ে। শ্রেয়াসের বয়স ৪৭ বছর। অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল ছবির শ্যুটিং করছিলেন অভিনেতা। শ্যুটিং শেষ করার পরপরই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।শ্রেয়াসকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।একদিন আগেই, অক্ষয় কুমার একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে শ্রেয়াসকে বিকেলে তার সাথে ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল চলচ্চিত্রের শ্যুটিং করতে দেখা গেছে। স্টান্ট করার সময় অক্ষয়ের পিছনে সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ছিলেন শ্রেয়াস। ভিডিওতে অভিনেতাদের মজাও স্পষ্ট দেখা গেছে। কিন্তু এমন কিছু যে ঘটবে, তা কারওই ধারণা ছিল না। বলা হচ্ছে শ্যুটিং শেষ করেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন শ্রেয়াস। অভিনেতাকে যখন আন্ধেরি পশ্চিমের বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন দেখা যায় যে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তার এনজিওপ্লাস্টি করা হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। আরও জানান, এখন অভিনেতার স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। সূত্রটি ইন্ডিয়া টুডেকে বলেছে যে, শ্রেয়াস সারাদিন শ্যুটিং করছিলেন এবং একেবারেই ভালো ছিলেন। সেটে সবার সঙ্গে মজা করছিলেন তিনি। তিনি তার শট দিয়েছেন, যার মধ্যে সামান্য অ্যাকশন সিকোয়েন্সও ছিল। শ্যুটিং শেষ করে তিনি বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে জানান, তার ভালো লাগছে না। স্ত্রী দীপ্তি তালপাড়ে দ্রুত তাকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তার আগেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন অভিনেতা। সন্ধ্যায় তাকে আনা হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন।শ্রেয়াস অনেক বড় হিন্দি ছবিতে অংশ নিয়েছেন। মারাঠি সিনেমায়ও তিনি একটি পরিচিত নাম। তিনি ইকবাল, ওম শান্তি ওম, গোলমাল রিটার্নস, হাউসফুল ২- এর মতো অনেক হিট ছবি করেছেন। কঙ্গনা রানাউতের সঙ্গে অভিনেতার একটি এমার্জেন্সি ছবিও রয়েছে শীঘ্রই আসছে।

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।