শীতে শুষ্ক ত্বক হয়ে উঠবে কোমল ও জেল্লাদার মধুর সঙ্গে এই উপাদান মিশিয়ে মাখুন

15th December 2023 11:00 am Country News
শীতে শুষ্ক ত্বক হয়ে উঠবে কোমল ও জেল্লাদার মধুর সঙ্গে এই উপাদান মিশিয়ে মাখুন


শীতকালে ত্বকের হাজারো সমস্যা দেখা দেয়। ত্বক শুষ্ক হতে শুরু করে, রুক্ষভাব বেড়ে যায়। ত্বক নিষ্প্রভ, নিস্তেজ হয়ে পড়ে। উঠতে থাকে মরা ছাল। তাই শীতের মরশুমে ত্বককে আর্দ্র ও কোমল রাখতে অতিরিক্ত যত্নের প্রয়োজন হয়।শুধু ময়েশ্চারাইজার কিংবা সিরাম মেখে যে সমস্যার সমাধান হবে, তা কিন্তু নয়।সপ্তাহে বেশ কয়েক দিন ফেস প্যাক লাগানোও জরুরি। টক দই, মধু এবং আমন্ড অয়েলের মিশ্রণ শীতকালে ত্বকের সব সমস্যা চিরতরে নির্মূল করতে পারে। দেখে নিন কী ভাবে ফেস প্যাক তৈরি করবেন।

বাড়িতে কী ভাবে তৈরি করবেন মধুর ফেস প্যাক?

একটি পাত্রে দুই টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে এক টেবিল চামচ হোহোবা অয়েল বা আমন্ড অয়েল মেশান। এর সঙ্গে যোগ করন এক চা চামচ টক দই। সমস্ত উপকরণ এক সঙ্গে ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন।

এই ফেস প্যাকের উপকারিতা

রুপচর্চায় মধুর ব্যবহার প্রাচীন কাল থেকেই হয়ে আসছে। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করতে দারুণ কার্যকর মধু। মধুর মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবেই ময়েশ্চারাইজার রয়েছে। ফলে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। মধুর এই ফেস প্যাক ত্বক আর্দ্র রাখার পাশাপাশি কোলাজেন উত্‍পাদন বাড়ায়।

তাছাড়া, মধু নিস্তেজ ত্বকে উজ্জ্বলতা ফেরায়, ত্বক নরম করে এবং ত্বকের প্রদাহ প্রশমিত করতে পারে। মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‌্যাডিক্যাল থেকে ত্বককে রক্ষা করে এবং চোখে-মুখে বলিরেখা পড়তে দেয় না। বার্ধক্যের দাগছোপ কমায়।

আমন্ড কিংবা হোহোবা অয়েল ত্বকে আর্দ্রতা যোগায়। তাই যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তাঁদের জন্য খুবই উপকারী এই ফেস প্যাক। তাছাড়া, শীতকালে সকলেই শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। তাই শীতের মরশুমে মধুর ঘরোয়া প্যাক খুব উপকারী হতে পারে।

টক দইয়ে রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।

ফেস প্যাক ব্যবহার করার পদ্ধতি

মুখে ফেস প্যাক প্রয়োগ করার আগে, ক্লিনজার দিয়ে ভালো ভাবে মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। মুখে মধুর এই প্যাকটি লাগিয়ে খানিকক্ষণ আলতো করে ম্যাসাজ করুন। তারপর আরও মিনিট পনেরো দিন। হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।