ইনসুলিন কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণসহ ৭টি রোগের মহৌষধ ধনেপাতা জেনেনিন বিস্তারিতভাবে

15th December 2023 10:51 am Country News
ইনসুলিন কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণসহ ৭টি রোগের মহৌষধ ধনেপাতা জেনেনিন বিস্তারিতভাবে


ধনেপাতার স্বাস্থ্যগুণ:

১. ধনেপাতা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

২. দাঁত ও মাড়ির সুস্থতায় ধনেপাতা অত্যন্ত কার্যকরী একটি ভেসজ উপাদান। ধনেপাতা দাঁতের ফাঁকে ব্যাক্টেরিয়াকে বাসা বাঁধতে বাধা দেয়। ফলে সুস্থ থাকে দাঁত ও মাড়ি।

৩. লিভার বা যকৃতকে সুস্থ রাখতে ধনেপাতা অত্যন্ত কার্যকরী। নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে ধনেপাতা খেতে পারলে লিভারের একাধিক সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

৪. ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য ধনেপাতা অত্যন্ত উপকারী। ধনেপাতা রক্তে ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখে আর রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৫. ধনেপাতার মধ্যে সিনিওল এসেনশিয়াল অয়েল এবং লিনোলিক অ্যাসিড থাকে। এগুলো শরীরের পুরনো ও নাছোড় ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৬. ধনেপাতায় থাকা আয়রন রক্তাল্পতা রোধে সাহায্য করে।

৭. ধনেপাতার মধ্যে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান থাকায় তা শরীরে টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে। এর অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান বিভিন্ন চর্মরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।