চুল রং করেছেন? দীর্ঘদিন ধরে রাখতে যা করবেন জেনেনিন একনজরে

15th December 2023 10:48 am Country News
চুল রং করেছেন? দীর্ঘদিন ধরে রাখতে যা করবেন জেনেনিন একনজরে


যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পরিবর্তন আনতে হয় ফ্যাশনেও। তেমনি চুলে রঙ করা আজকাল ফহ্যাশনের একটি বড় অংশ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে চুলে রঙ করার পর তা দ্রুত হালকা হয়ে যায়। তবে পদ্ধতি জানা থাকলে দ্রুত হালকা হওয়া রোধ করা যায়।নিউ ইয়র্ক'য়ের 'সেড্রিক স্যালন'য়ের অ্যারন ব্র্যান্ডফোর্ড বলেন, "রঙের বিবর্ণতা বোঝার জন্য চুলের ধরন সম্পর্কে জানতে হবে।"রিয়েলসিম্পল ডটকম'য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে চুলের রং-বিষয়ক এই কারিগর আরো বলেন, "মাথার উপরের স্তর হলো কিউটিকল, যা দেখতে মাইক্রোস্কোপের নিচে একটি খসখসে সাপের চামড়ার মতো লাগে। আর ভেতরের স্তর কর্টেক্স যা কিউটিকলের মাধ্যমে সুরক্ষিত। যেখানে রঞ্জক থাকে। চুলে রং করা এই দুইটি অংশের সঙ্গেই সম্পর্ক যুক্ত। তাপ, জল ও সূর্যালোক এর ওপর প্রভাব ফেলে বিবর্ণতা সৃষ্টি করে।"

জল

শিকাগোর 'থার্ড কোস্ট স্যালন'য়ের 'কালার ডিরেক্টর' ক্রিস্টিন ফ্লেমিং বলেন, "জল ব্যবহার চুলের কিউটিকল খুলে দেয়। ফলে রঙের অণুগুলো বেড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং নিয়মিত চুল ধোয়ার কারণে বিবর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।"

ব্র্যান্ডফোর্ড লক্ষ্য করেছেন যে, কেবল বার বার চুল ধোয়াই না বরং কেমন তাপমাত্রার জল ব্যবহার করা হচ্ছে সেটাও ভূমিকা রাখে। এছাড়াও অন্যান্য বিষয় যেমন- বিভিন্ন অঞ্চলের জলে থাকা খনিজ যেমন- কপার, লবণ ও ক্লোরিন চুলের রং-কে বিবর্ণ করে দিতে পারে।

সমাধান: রং করা চুল ভালো রাখতে যত কম ধোয়া যায় ততই ভালো থাকে। ব্র্যান্ডফোর্ডের পরামর্শ, তিন থেকে চার দিন পর পর চুল ধোয়া উচিত। এর মাঝের সময়ে উন্নত মানের 'ড্রাই শ্যাম্পু' ব্যবহার করা যেতে পারে।

ফ্লেমিং এর মতে, ঠাণ্ডা জল দিয়ে চুল ধোয়া নিরাপদ। অথবা যত কম সময়ে চুল ধুয়ে ফেলা যায় ততই ভালো। রং করা চুল পরিষ্কার করতে 'কালার প্রোটেক্টিং শ্যাম্পু' ব্যবহার করা প্রয়োজন।

তাপ।      ব্র্যান্ডফোর্ড বলেন, "তাপের কারণে কিউটিকলের আকার প্রসারিত হয়। ফলে রংয়ের অণুগুলো পড়ে যায়। যে কোনো তাপের কারণেই এমনটা হতে পারে।"    রং করা চুলে গরম জল ব্যবহার করা ঠিক নয় এবং তাপীয় যন্ত্র ব্যবহার আরও ক্ষতিকারক। ফ্লেমিং'য়ের মতে, চুলের ক্ষতির জন্য প্রাথমিকভাবে তাপ দায়ী এবং চুলের যত ক্ষতি হবে তত বেশি ভঙ্গুর হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।